ইনভয়েস, এলসি, দৈনিক রিপোর্ট: বারবার করা কাজ এআই করবে, সিদ্ধান্ত আপনার।

বাংলাদেশ ও কোরিয়ার একটি টিম এনডিএর অধীনে দুই সপ্তাহের ডায়াগনসিস করে, তারপর ৩০ দিনের পাইলটে একটি আসল কাজ চালায় এবং কর্মীদের বাংলায় শেখায়।

হিসাবইনভয়েস মেলানোএআই করছে
এইচআরওভারটাইম যাচাইএআই করছে
অপারেশনদৈনিক রিপোর্টএআই করছে

পরিষ্কার শুরু, লিখিতভাবে

৩০

দিনের পাইলটে একটি আসল কাজ, ডায়াগনসিসের পরে

১

কর্মদিবসের মধ্যে আপনার অনুরোধের উত্তর

৩

ধাপ, প্রতিটির দাম শুরুর আগেই টাকায় জানাই

২

দেশ, একটি টিম: বাংলাদেশ ও কোরিয়া

আপনার কোম্পানিতে চালু করার মতো পাঁচটি সিস্টেম

বাংলাদেশের কোম্পানির জন্য আমরা যা বানাতে পারি। এগুলো নমুনা তথ্যের ডেমো, কোনো গ্রাহকের প্রকল্প নয়।

গার্মেন্টস

কারখানার কন্ট্রোল টাওয়ার

হাতে লেখা ঘণ্টার শিট, এক্সেল বা ইআরপি থেকে প্রতিটি লাইন, প্রতি ঘণ্টা, এক পর্দায়। কোন অর্ডার দেরি হতে পারে আর কোন লাইনে ত্রুটি বাড়ছে, রিওয়ার্কে সময় যাওয়ার আগেই এআই জানিয়ে দেয়।

বিক্রয় ও সাপোর্ট

বাংলা সেলস এজেন্ট

দিনরাত মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে উত্তর দেয়, অর্ডার নেয়, কঠিন বিষয় আপনার টিমকে দেয়।

এমডির জন্য

ফোনে সকালের ব্রিফ

প্রথম মিটিংয়ের আগেই এক বার্তায় বিক্রয়, নগদ, শিপমেন্ট ও অনুমোদন।

আমদানি-রপ্তানি

এলসি কাগজ যাচাই

এলসির শর্ত ও UCP 600 ধরে ইনভয়েস ও শিপিং কাগজ লাইন ধরে মেলায়, যাতে ডিসক্রিপেন্সি ফি গোনার আগেই ভুল ঠিক হয়।

হিসাব

নিজে নিজে মিলে যাওয়া হিসাব

ব্যাংক, বিকাশ ও ইনভয়েস প্রতি রাতে মিলে যায়। হিসাবরক্ষক শুধু সিদ্ধান্ত লাগে এমনগুলো দেখেন, মূসকের খসড়াও তৈরি থাকে।

একটি কাজ কীভাবে বদলে যায়, দেখুন

আপনার খাত বেছে নিন। কাগজপত্র চেনা, আর এখানকার সব নাম ও সংখ্যা নমুনা।

যা আসে: বায়ারের ইমেইল

Hi team, please revise PO 4471. Qty from 12,000 to 13,500 pcs. Ex factory moved up to 28 Feb. Add size XXL. Need confirmation today.

যা পাবেন

অর্ডার
PO 4471
পরিমাণ
১৩,৫০০ পিস, আগে ১২,০০০
এক্স ফ্যাক্টরি
২৮ ফেব্রুয়ারি
আগে দেখুন
বাড়তি ১,৫০০ পিস, এগিয়ে আসা তারিখ, XXL-এর কাপড় ও ট্রিমস

সিদ্ধান্ত মানুষের লাইনের ক্যাপাসিটি, কাপড় ও ট্রিমস মিলিয়ে বায়ারকে উত্তর দেন মার্চেন্ডাইজার।

মূসক, এলসি আর বাংলিশ, সবই চিনি

বাংলা, ইংরেজি, বাংলিশ

গ্রাহক লেখেন
bhai PO 4471 er date kobe?
এআই পড়ে
PO 4471-এর তারিখ কবে?
রিপোর্টে যায়
ডেলিভারির তারিখ জানতে চাইছেন

কাগজও চলবে

স্ক্যান, ফোনের ছবি, হাতে লেখা খাতা।

আপনার চেনা টুল

এক্সেল, ট্যালি, আপনার ইআরপি, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার।

নেট চলে গেলে

কাজ জমা থাকে, নেট এলে আবার চলে।

এআই কী নেবে, আপনার হাতে কী থাকবে

কর্মী কমানো আমাদের লক্ষ্য নয়। আপনার কর্মীরা কপি করা ছেড়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মন দেন, আর বাঁচা সময় কোথায় লাগবে, তা ঠিক করেন আপনি।

হিসাব

ইনভয়েস মেলানো, ব্যাংক ও বিকাশের হিসাব মেলানো, মূসক ফরমের খসড়া

পেমেন্ট অনুমোদন

এইচআর

হাজিরা, ওভারটাইম, সিভি বাছাই, অফার লেটার

নিয়োগের সিদ্ধান্ত

বিক্রয় ও সাপোর্ট

মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে বাংলায় উত্তর, কোটেশন, অর্ডার এন্ট্রি

ছাড় ও অভিযোগের সমাধান

অপারেশন

দৈনিক উৎপাদন রিপোর্ট, স্টক সতর্কতা, ক্রয়ের অনুরোধ

পরিকল্পনা বদল

কমপ্লায়েন্স

অডিট ফাইল, এসওপি ভার্সন, লাইসেন্স নবায়নের রিমাইন্ডার

চূড়ান্ত স্বাক্ষর

বারবার করা কাজে আপনার কত খরচ হচ্ছে?

স্লাইডার সরান। দুই মিনিট লাগবে। আপনি না পাঠালে আপনার সংখ্যা আমাদের কাছে আসে না।

আপনার খাত

এই কাজের কতটা এআই নিতে পারে

আজকের বারবার করা কাজ

ঘণ্টা প্রতি মাসে

ভালো কাজের জন্য যে সময় ফিরে পেতে পারেন

ঘণ্টা প্রতি মাসে

সেই সময়ের মাসিক মূল্য

আমরা যেখান থেকে শুরু করব

    এই কাজগুলোর কোটেশন নিন

    আপনার দেওয়া সংখ্যা, মাসে ২৬ কর্মদিবস ও আপনার বাছাই করা হারের ওপর ভিত্তি করে। এতে শুধু অফিসের সময় ধরা আছে; রিওয়ার্ক, দেরির খরচ ও এলসি ডিসক্রিপেন্সি ফি নেই। এটি অনুমান, প্রতিশ্রুতি নয়। আসল ফল আমরা পাইলটে মাপি।

    এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে ২০২৯-এ। এই তিন বছর কাজে লাগান।

    বাংলাদেশের অনেক কোম্পানির সামনে এখন তিনটি পরিবর্তন।

    নভেম্বর ২০২৯

    এলডিসি উত্তরণ আর তিন বছর পর

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ তারিখটি ২০২৬ থেকে ২০২৯-এ সরিয়েছে। বাণিজ্য সুবিধা বদলাতে শুরু করার আগে খরচ ও ভুল কমাতে রপ্তানিকারকদের হাতে এখন তিন বছর।

    প্রথম আলো, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

    অনলাইন ভ্যাট

    ভ্যাট রিটার্ন অনলাইনে যাচ্ছে

    ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ওষুধ, সিমেন্টসহ তালিকাভুক্ত পণ্যের উৎপাদক এবং ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতাদের অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দিতে হচ্ছে। এনবিআর জানিয়েছে, ধাপে ধাপে সব ভ্যাটদাতা এর আওতায় আসবেন। পরিষ্কার ডিজিটাল রেকর্ড ক্রমেই জরুরি হয়ে উঠছে।

    এনবিআর সাধারণ আদেশ ১২/মূসক/২০২৬; ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

    ডেটা আইন

    ব্যক্তিগত তথ্যের জন্য এখন আলাদা আইন

    ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২৬ কর্মী ও গ্রাহকের তথ্য যাঁরা ব্যবহার করেন, তাঁদের ওপর দায়িত্ব দিয়েছে, আর সেই তথ্য দেশের বাইরে নিতে আইনি ভিত্তি লাগে। তাই প্রতিটি ভেন্ডরকে, আমাদেরও, জিজ্ঞেস করুন: আপনার ফাইল কোথায় যাবে?

    ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন ২০২৬ (২০২৬ সনের ৬৩ নং আইন)

    ব্যবসায়িক পরিকল্পনার জন্য সারাংশ, আইনি পরামর্শ নয়।

    ছোট করে শুরু করুন। প্রমাণ দেখে সিদ্ধান্ত নিন।

    পিডব্লিউসির এক জরিপে বাংলাদেশের সিইওদের পাঁচ ভাগের এক ভাগেরও কম বলেছেন, তাঁদের এআই টুল প্রয়োজনীয় সব ডেটায় পৌঁছাতে পারে। তাই আমরা সফটওয়্যার দিয়ে নয়, ডায়াগনসিস দিয়ে শুরু করি।

    দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, ৬ জুন ২০২৬

    ধাপ ১ · নির্দিষ্ট ফি

    দুই সপ্তাহের কাজের ডায়াগনসিস

    এনডিএর অধীনে আপনার টিমের সাথে দুই সপ্তাহ। আপনি পাবেন একটি কাজের ম্যাপ: সময় কোথায় যাচ্ছে, কোন কাজটি আগে এআই-তে নেওয়া উচিত, আর তাতে কত সময় ও খরচ বাঁচতে পারে।

    ধাপ ২ · নির্দিষ্ট মূল্য

    ৩০ দিনের পাইলট

    আপনার একটি আসল কাজে পাইলট, শুরুর আগেই টাকায় কোটেশন। আগে লিখিতভাবে ঠিক করা মাপকাঠিতে ফল বিচার করবেন আপনি।

    ধাপ ৩ · মাসিক

    সব বিভাগে চালু ও মাসিক সাপোর্ট

    আরও বিভাগ, কর্মী প্রশিক্ষণ এবং সবকিছু সচল রাখার মাসিক সাপোর্ট।

    ডায়াগনসিসে আপনি যা পান

    একটি কাজের ম্যাপ, যা দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন এবং যা আপনারই থাকবে।

    প্রতিটি বারবার করা কাজের হিসাব, সময় ও ঝুঁকি অনুযায়ী সাজানো, প্রথম কাজটির জন্য ৩০ দিনের পরিকল্পনাসহ। এখানেই থামলেও এটি আপনারই থাকবে।

    ডায়াগনসিসের কোটেশন নিন

    সাতটি ধাপ, দায়িত্বে একজন মানুষ

    প্রথম অনুরোধ থেকে পরবর্তী সেবা পর্যন্ত, প্রতিটি প্রকল্পের একটি প্রকল্প নম্বর ও একটি স্ট্যাটাস বোর্ড থাকে।

    নমুনা প্রকল্প ২৬-১১-০১

    1. অনুরোধ

      একটি কাজের কথা বলুন। প্রকল্পটি একটি নম্বর পায়।

    2. ডায়াগনসিস

      এনডিএ ও ডায়াগনসিসের চুক্তিপত্র স্বাক্ষরের পর, নির্দিষ্ট ফি-তে আপনার টিমের সাথে কাজের ম্যাপ করি।

    3. প্রস্তাব

      কাজের ম্যাপ, পরিধি ও প্রতিটি কাজের কোটেশন পান।

    4. চুক্তি

      পাইলটের চুক্তি স্বাক্ষরের পর অগ্রিম দিয়ে কাজ শুরু হয়।

    5. তৈরি

      আগে আসল কাজে পাইলট, তারপর চালু।

    6. হস্তান্তর

      আপনি যাচাই করে গ্রহণ করেন। আমরা আপনার টিমকে বাংলায় শেখাই।

    7. পরবর্তী সেবা

      শেষ পেমেন্ট, তারপর সাপোর্ট ও পরের কাজ।

    দায়িত্ব মানুষের, কাজ এআই-এর।

    আমরা নিজেদের কোম্পানিও এআই এজেন্ট দিয়ে চালাই, তাই জানি কোনটা কাজ করে। বাংলাদেশ ও কোরিয়ার অভিজ্ঞরা আপনার প্রকল্পের দায়িত্বে থাকেন, আর বিশ্লেষণ, তৈরি ও পরীক্ষার কাজ করে এআই এজেন্ট।

    এই ওয়েবসাইট, এর বাংলা লেখা ও অনুসন্ধান ডেস্ক আমাদের এআই এজেন্টরা বানিয়েছে, মানুষ যাচাই করেছে। আপনার প্রকল্পও এভাবেই চলবে।

    BD

    ম্যানেজিং পার্টনার, বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ও কোরিয়ার মধ্যে কাজ করা বাংলাদেশি ব্যবসায়ী। আপনার প্রথম যোগাযোগ, আর প্রকল্পের দায়িত্বও তাঁর।

    AI

    এআই দিয়ে গড়া ব্যবসা

    অন্যকে এআই দেওয়ার আগে আমরা নিজেরাই এআই দিয়ে একটি প্রশিক্ষণ ব্যবসা গড়েছি ও চালিয়েছি।

    ১০

    বছরের ফার্মা এআই উদ্ভাবন

    যে শিল্পে প্রতিটি রেকর্ড পরিদর্শন হয়, সেখানে এআই পরিবর্তন।

    ১৫

    বছরের গ্লোবাল বিজনেস ডেভেলপমেন্ট

    সীমানা পেরিয়ে ব্যবসা বাড়ানো।

    কোরিয়া থেকে

    এআই রূপান্তরের অভিজ্ঞতা ও অংশীদার

    • এআই এজেন্ট ও কাজের অটোমেশন
    • কোরিয়ার এআই কোম্পানি ও সমাধান
    • এআই ইঞ্জিনিয়ারিং, ডেটা ও নিরাপত্তা

    আপনার একজন অংশীদার

    রূপান্তর

    1. ডায়াগনসিস
    2. তৈরি
    3. পরিচালনা

    প্রতিটি প্রকল্পে একটি নম্বর ও একটি স্ট্যাটাস বোর্ড।

    বাংলাদেশে

    আপনার টিমের কাছে

    • বাংলাভাষী ক্লায়েন্ট লিড
    • সরেজমিনে কাজের ম্যাপ ও প্রশিক্ষণ
    • কোরিয়ান সমাধান ও অংশীদারের সাথে পরিচয়

    প্রতিটি প্রকল্পে পাঁচটি কাজ

    ভারী কাজ করে এআই এজেন্ট। প্রতিটি কাজের দায়িত্বে থাকেন আমাদের টিমের একজন মানুষ, আর তিনি কে, তা আপনার চুক্তিতে লেখা থাকে।

    • ক্লায়েন্ট লিডবাংলায় আপনার যোগাযোগকারী
    • কাজের বিশ্লেষণকর্মীদের সাথে কাজের ম্যাপ
    • এআই তৈরিতৈরি ও সংযোগ
    • মান যাচাইআসল কাজে পরীক্ষা
    • প্রশিক্ষণআপনার টিমকে বুঝিয়ে দেওয়া

    কাজ শুরুর আগে, লিখিতভাবে

    স্বাক্ষরিত এনডিএ
    প্রথম কাগজ দেখার আগেই আমরা স্বাক্ষর করি।
    আপনার তথ্য আপনারই
    আমরা শুধু এমন বাণিজ্যিক এআই সেবা ব্যবহার করি, যেগুলোর চুক্তিতেই আপনার তথ্য দিয়ে মডেল শেখানো নিষেধ।
    নির্দিষ্ট অ্যাক্সেস
    শুধু এনডিএতে লেখা মানুষ ও এআই টুলই আপনার ফাইল খুলতে পারে, আর প্রতিটি অ্যাক্সেসের লগ থাকে।
    ফলাফলের মালিক আপনি
    আপনার জন্য তৈরি ওয়ার্কফ্লো, প্রম্পট ও ডকুমেন্ট আপনার কাছেই থাকে, মাসিক সাপোর্ট বন্ধ করলেও।
    আগে পাইলট
    এগোনোর আগে আসল কাজে একটি কাজ যাচাই করেন।
    স্বাক্ষর মানুষের
    অনুমোদন, পেমেন্ট ও কমপ্লায়েন্স আপনার কর্মীদের হাতে থাকে।

    ফাইল দেওয়ার আগে যা জানা দরকার

    আগে কোন কোন কোম্পানিতে এই কাজ করেছেন?

    আমরা নতুন কোম্পানি, এখনো দেখানোর মতো কোনো গ্রাহকের ফল আমাদের নেই। তাই শুরু করি ছোট করে: আগে ডায়াগনসিস, তারপর আপনার নিজের কাজে পাইলট। অন্যের গল্প নয়, নিজের কাজের ফল দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন।

    রূপান্তরের পেছনে কারা, কোম্পানিটি কি নিবন্ধিত?

    আমরা নতুন কোম্পানি, গড়ে তুলছেন একজন বাংলাদেশি অংশীদার ও একজন কোরিয়ান প্রতিষ্ঠাতা। স্বাক্ষর বা পেমেন্টের আগেই নিবন্ধিত নাম, ঠিকানা ও নম্বর লিখিতভাবে পাবেন।

    খরচ কত?

    প্রতিটি ধাপ শুরুর আগেই টাকায় লিখিত কোটেশন পাবেন। ডায়াগনসিসের ফি নির্ভর করে কয়টি বিভাগ ও কয়টি কারখানা বা অফিস দেখতে হবে তার ওপর, আর স্বাক্ষরের পর দুই পক্ষের লিখিত সম্মতি ছাড়া তা বদলায় না। ভ্যাট ও উৎসে কর কীভাবে ধরা হবে, তাও কোটেশনে লেখা থাকে। আপনার মাথায় একটি কাজই থাকলে ডায়াগনসিস ও কোটেশন সেই কাজেই সীমিত থাকবে।

    ডায়াগনসিসের জন্য টাকা নেন কেন?

    কারণ এটি আসল কাজ। আমরা এনডিএর অধীনে আপনার কাজ খুঁটিয়ে দেখি, আর পরে আমাদের সাথে কাজ না করলেও কাজের ম্যাপটি আপনিই ব্যবহার করতে পারবেন। কোনো কাজে এআই লাভজনক না হলে ম্যাপে সেটাও সোজাসুজি লেখা থাকে। চাইলে ম্যাপটি অন্য সরবরাহকারীকেও দিতে পারেন।

    আমাদের কাগজপত্র কোথায় যাবে?

    এনডিএর তফসিলে লেখা থাকে কোন এআই টুল ও সেবাদাতা, ফাইল কোন দেশে থাকবে, কত দিন থাকবে, কবে মুছে ফেলা হবে এবং কে কে খুলতে পারবেন। আপনি সেখানে অনুমোদন না দিলে কোনো ফাইল বাংলাদেশের বাইরে যায় না।

    এআই ভুল করলে দায় কার?

    আপনার কর্মী গ্রহণ না করা পর্যন্ত এআই-এর ফল শুধু খসড়া, আর আপনার হয়ে আমরা কিছুতে স্বাক্ষর, পেমেন্ট বা ফাইলিং করি না। এতে বায়ার, ব্যাংক বা এনবিআরের কাছে যাওয়ার আগেই ভুল ধরা যায়। পাইলটে ঠিক করা মাপকাঠিতে নির্ভুলতা পরীক্ষা করি, আর আমাদের তৈরি অংশের ভুল আমরাই ঠিক করি। কত বার সংশোধন হবে এবং আমাদের দায়ের সীমা কতটুকু, তা চুক্তিতে লেখা থাকে।

    কাজটি আসলে কে করে?

    বিশ্লেষণ, তৈরি ও পরীক্ষার কাজ করে এআই এজেন্ট, ঠিক যেভাবে আমরা নিজেদের কোম্পানি চালাই। কাজ যাচাই করেন ও আপনার কাছে জবাবদিহি করেন আমাদের টিমের একজন নির্দিষ্ট মানুষ। কোম্পানির বাইরে যা যায়, তার চূড়ান্ত অনুমোদন থাকে আপনার কর্মীদের হাতে।

    পাইলট কাজে না লাগলে?

    সংশোধনের পরও ঠিক করা মাপকাঠি পূরণ না হলে আপনি থামতে পারেন। বাকি টাকা দিতে হবে না, আর কাজের ম্যাপ ও এ পর্যন্ত পাওয়া সবকিছু আপনার কাছেই থাকবে।

    কত দ্রুত কিছু চালু দেখতে পাব?

    ডায়াগনসিসে লাগে দুই সপ্তাহ। এরপর চুক্তি স্বাক্ষর, অগ্রিম ও ডেটা অ্যাক্সেস হয়ে গেলে পাইলট শুরু হয়। তার ৩০ দিনের মধ্যে প্রথম কাজ চালু করাই আমাদের লক্ষ্য।

    কর্মী ছাঁটাই করতে হবে?

    না। বারবার করার অংশটুকু এআই করে, সিদ্ধান্ত থাকে আপনার কর্মীদের হাতে।

    নিজস্ব আইটি টিম লাগবে?

    না। কাজটি জানেন এমন একজন থাকলেই শুরু করা যায়।

    জিএমপি বা ডিজিডিএ পরিদর্শনে এটি টিকবে তো?

    এআই-এর ফল শুধু খসড়া, আপনার স্বাক্ষরিত জিএমপি রেকর্ডের জায়গা এটি নেয় না। আপনার কিউএ-র সাথে আলাদা পর্যালোচনা ছাড়া জিএমপি-নিয়ন্ত্রিত কোনো ধাপে আমরা পাইলট চালাই না।

    কোরিয়ান কোম্পানির সাথে যুক্ত করতে পারবেন?

    হ্যাঁ। আপনার কাজে কোরিয়ান এআই কোম্পানি বা অংশীদার দরকার হলে, আমরা উপযুক্তটি খুঁজে পরিচয় করিয়ে দিই।

    এএক্স মানে কী?

    এআই ট্রান্সফরমেশন: কোম্পানির কাজের ধরন একটি একটি করে এআই-তে নিয়ে যাওয়া।

    একটি কাজের কথা বলুন

    উত্তরে জানাব পরের ধাপ কী (সাধারণত ডায়াগনসিস), তার পরিধি, সময় ও টাকায় লিখিত কোটেশন। আপনি স্বাক্ষর না করলে কোনো কাজ শুরু হয় না।

    • এক কর্মদিবসের মধ্যে বাংলা বা ইংরেজিতে উত্তর
    • কাজ শুরুর আগেই পরিধি ও দাম লিখিতভাবে
    • ফাইল দেওয়ার আগেই এনডিএ স্বাক্ষর

    শুধু কাজটির নাম লিখুন, যেমন: এলসির কাগজ মেলানো। এখানে গোপন তথ্য লিখবেন না।

    এই তথ্য উত্তর দিতে ও আপনার অনুরোধ নিয়ে যোগাযোগ রাখতে ব্যবহার হয়। তথ্য বাংলাদেশের বাইরে থাকতে পারে, আর উত্তরের খসড়ায় এআই টুল সাহায্য করতে পারে।

    কোটেশন নিন